বকেয়া এমপিও আবেদন করতে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র: এমপিওভক্তি স্কুল অথবা কলেজে এনটিআরসিএ মাধ্যমে নিয়োগপ্রাপ্ত অথবা কমিটির মাধ্যমে নিয়োগপ্রাপ্ত শিক্ষক কর্মচারীদের এমপিও আবেদনে বিলম্ব হলে অথবা যেকোনো জটিলতার কারণে নিয়োগের তারিখ থেকে কয়েক মাস পরে এমপি হলে তারা বকেয়া আবেদন করতে পারে।
সঠিক পদ্ধতিতে এমপি ভুক্ত স্কুল কলেজে বকেয়া এমপিও আবেদন করা গেলে নিয়োগের সময় থেকে এরিয়ার পাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। নির্ধারিত নিয়ম অনুসরণের মাধ্যমে এটি না করলে বারবার আবেদন রিজেক্ট হয়। বিদ্যা শিখি ডট কম এর আজকের আয়োজনে আমরা জানবো বকেয়া এমপিও আবেদন করতে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সম্পর্কে।
যে সকল শিক্ষক কর্মচারী মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের আওতাধীন বেসরকারি এমপিওভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যোগদান করার পরদিন থেকে বা যোগদান করার দিন থেকে বেতন ভাতা দিয়ে পায়নি তারা চাইলে নির্ধারিত পোর্টালে বকেয়া এমপিও আবেদন করতে পারে।
সাধারণত যেদিন থেকে নিয়োগ বা চাকরিতে যোগদান করা হয়েছে সেইদিন থেকে বেতন ভাতা দিয়ে না পেলে শিক্ষক কর্মচারীরা এই ধরনের আবেদন করতে পারে। যথাযথ কারণ দর্শানো গেলে কর্তৃপক্ষ বকেয়া এমপিও বেতন ভাতা প্রদান করে থাকে।
বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান কর্মরত শিক্ষক কর্মচারীদের অভিজ্ঞতা সাধারণত এমপিওভক্তি হওয়ার তারিখ থেকে বিবেচনা করা হয়। যদি কোন শিক্ষক যেদিন যোগদান করেছে সেদিন থেকে বেতন না পায় তাহলে এমপিও ভুক্ত হওয়ার পূর্বের দিনগুলোতে সে চাকরি করলেও সেটি অভিজ্ঞতা হিসেবে কাউন্ট হবে না সেইসাথে আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে।
সেজন্য বকেয়া এমপিও আবেদন করে যোগদানের পর থেকে বেতন ভাতা-দি পাওয়ার জন্য বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান (স্কুল ও কলেজ) এমপিও ব্যবস্থাপনা সফটওয়্যারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা রেখেছে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর। তবে সে ক্ষেত্রে অবশ্যই প্রয়োজনীয় কাগজপত্র যথাযথভাবে সাবমিট করতে হবে অন্যথায় এটি গ্রহণযোগ্য হবে না।
বকেয়া বা এরিয়ার এমপিও পেতে হলে আপনাকে যে সকল কাগজপত্র সংগ্রহ করতে হবে তার বিস্তারিত বিবরণ এই পর্যায়ে জানানো হবে। প্রত্যেকটি কাগজ ভালোভাবে খেয়াল করে সে অনুযায়ী প্রস্তুত করে নিবেন তাহলে আপনার আবেদন ফিরিয়ে দেয়ার সুযোগ থাকবে না।
নিচের ছবিতে এক নজরে দেখে নিন মাধ্যমিকে উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের এমপিও সিস্টেমে দেয়া শিক্ষক কর্মচারীদের বকেয়া এমপিও আবেদন প্রাপ্তির জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্রের তালিকা। ছবিতে এগুলোর ইংরেজি এবং বাংলা নাম উভয় দেওয়া আছে যাতে আপনাদের বুঝতে সুবিধা হয়।
এরপর আপনাদের আরো সুবিধার্থে প্রত্যেকটি ডকুমেন্টের বিস্তারিত বিবরণ ছবির নিচে থাকবে যা থেকে আপনি আরো বিশদভাবে বুঝতে পারেন। এছাড়াও প্রত্যেকটি ডকুমেন্টের নমুনা কপি এবং এডিটেবল ফাইল ডাউনলোড করার সুযোগ থাকবে।

উপরের ছবি অনুযায়ী সর্বমোট নয় ধরনের কাগজপত্র এমপিও বকেয়া প্রাপ্তির জন্য সংযুক্ত করতে হবে। এগুলোর পিডিএফ কপি অথবা জেপিজি ফরমেট কম্পিউটারে স্ক্যান করে সংরক্ষণ করার পর আবেদনের শেষ ধাপে আপলোড করা লাগবে।
এক নজরে বকেয়া এমপিও আবেদন প্রাপ্তির জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র
১. প্রতিষ্ঠান প্রধানের অগ্রহায়ণ;
২. নিয়োগপত্র;
৩. যোগদান পত্র;
৪. প্রতিষ্ঠানের সর্বশেষ এমপিও কপি;
৫. শিক্ষক কর্মচারীর বর্তমান পদে প্রথম এমপিওর কপি;
৬. সংশ্লিষ্ট মাসের বেতন বিলের কপি;
৭. ম্যানেজিং কমিটি অথবা গভর্নিং বডির রেজুলেশন;
৮. ব্যাংক নন-ড্রয়াল সনদ;
৯. অন্যান্য ডকুমেন্ট;
চলুন এই পর্যায়ে আপনাদের দেখিয়ে দিন এমপিওভুক্ত স্কুল ও কলেজে নিয়োগ প্রাপ্ত শিক্ষক কর্মচারীদের বকেয়া বেতন ভাতা দিয়ে পাওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্রের নমুনা কপি। এগুলো দেখলে আপনার এই কাজ করার জন্য যে সকল ডকুমেন্ট প্রয়োজন হবে সেগুলো প্রস্তুত করতে সহজ হবে।
প্রতিষ্ঠান প্রধানের অগ্রায়ন অথবা ইনস্টিটিউট হেড ফরওয়ার্ডিং হল সংশ্লিষ্ট শিক্ষক কর্মচারীর বকেয়া বেতন ভাতা দিয়ে পাওয়ার জন্য ওই প্রতিষ্ঠান প্রদান কর্তৃক নির্ধারিত প্যাডে নির্ধারিত ফরমেটে মহাপরিচালক মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর বরাবর একটি অগ্রায়ন পত্র বা ফরওয়ার্ডিং।
সংশ্লিষ্ট শিক্ষক যখন বকেয়া বেতন পাওয়ার আবেদন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানের প্রতি সাবমিট করবে তখন তিনি ম্যানেজিং কমিটির সভায় গৃহীত সিদ্ধান্ত মোতাবেক মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক বরাবর ওই শিক্ষকের এমপিও বকেয়া পাওয়ার জন্য ঐ শিক্ষকের আবেদনটি অগ্রহায়ণ করবে।
নিচের ছবিতে বকেয়া এমপিও আবেদন পাওয়ার জন্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রধানের ফরওয়ার্ডিং বা ইনস্টিটিউট হেড ফরওয়ার্ডিং এর নমুনা দেয়া হলো। এটি একজন শিক্ষকের অরিজিনাল ফরওয়ার্ডিং যার মাধ্যমে সে আবেদন করে বকেয়া পেয়েছিল। সুতরাং চোখ বন্ধ করে এটি অনুসরণ করা যায়।

বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ কর্তৃক গণ বিজ্ঞপ্তি মাধ্যমে প্রাপ্ত সুপারিশ পত্রের আলোকে প্রতিষ্ঠানের থেকে প্রাপ্ত নিয়োগ পত্র। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রধান, সহকারী প্রধান শিক্ষক অথবা কর্মচারীর ক্ষেত্রে নিয়োগ সুপারিশ বোর্ডের সিদ্ধান্তের আলোকে প্রাপ্ত নিয়োগ পত্র আপলোড করতে হবে;
নিজের ছবিতে এনটিআরসিএ দ্বারা সুপারিশের মাধ্যমে নিয়োগপ্রাপ্ত একজন শিক্ষকের নমুনা নিয়োগ পত্র দেয়া হলো।

প্রতিষ্ঠান থেকে প্রাপ্ত নিয়োগ পত্রের আলোকে নির্ধারিত নিয়মানুবলি অনুসরণ করে প্রতিষ্ঠানে যোগদান করার জন্য যে আবেদনটি প্রতিষ্ঠান প্রদান বরাবর যোগদানের সময় প্রদান করা হয়েছিল সেটি যোগদান পত্র হিসেবে বিবেচিত হয়।
বকেয়া এমপিও আবেদন এর ক্ষেত্রে অন্যান্য কাগজপত্রের সাথে চাকুরীতে যোগদান পত্র স্ক্যান করে সংযুক্ত করতে হবে। নিচে একটি নমুনা যোগদান পত্র দেয়া হলো।

প্রতিষ্ঠানের সর্বশেষ এমপি ও কপি বলতে যেই মাসে আপনি বকে আবেদন করতে চাচ্ছেন সেই মাসের পূর্বের মাস অথবা সর্বশেষ মাধ্যমকেও যে শিক্ষা অধিদপ্তর কর্তৃক প্রদত্ত বেতন ভাতা দির জন্য এমপিও শিট;
এটি অধিদপ্তরের ওয়েবসাইটে নির্ধারিত কর্নারের থেকে ডাউনলোড করা যাবে অথবা প্রতিষ্ঠান প্রধান থেকে সত্যায়িত করে সংগ্রহ করতে হবে। মনে রাখবেন যে মাসে বকেয়া এমপিও আবেদন পাওয়ার আবেদন করছেন সেই মাসের পূর্বে বা আবেদনের সময় সর্বশেষ এমপিও কপিটি প্রতিষ্ঠানের সর্বশেষ এমপিও কপি হিসেবে বিবেচিত হবে।
এর মাধ্যমে অধিদপ্তর বা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ নিশ্চিত হবেন যিনি বকেয়া বেতন ভাতা দিয়ে আবেদন করছেন তিনি কি সর্বশেষ মাসের এমপিও তালিকায় নথিভুক্ত আছেন কিনা। মানে তিনি বর্তমানেও ওই প্রতিষ্ঠানে চাকুরীরত আছেন কিনা সেটি যাচাই করা হবে।

এরিয়ার এমপিও প্রাপ্তির আবেদনকারী শিক্ষক অথবা কর্মচারীর প্রথম যে মাসে এমপিওভুক্ত হয়েছে বা বেতন ভাতা পেয়েছে তার এমপিওর কপি সংযুক্ত করতে হবে। এই কফির মাধ্যমে জানা যাবে ঠিক কোন মাসে ঐ শিক্ষক উক্ত প্রতিষ্ঠানে এমপিও তালিকায় যুক্ত হয়েছিল।
এটিও মাধ্যমিক উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের এমপিও কর্নার থেকে পিডিএফ ডাউনলোড করা যাবে অথবা প্রতিষ্ঠানের থেকে সংগ্রহ করতে হবে। সাধারণত শিক্ষক কর্মচারীরা প্রথম মাসের এমপিও কপি নিজেদের কাছে সংরক্ষণ করেন যাতে পরবর্তীতে যে কোন প্রয়োজনে ব্যবহার করা যায়।
এরিয়ার বিলের জন্য আবেদনের ক্ষেত্রে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ডকুমেন্ট হলো সংশ্লিষ্ট মাসের বেতন বিলের কপি। যে শিক্ষক বকেয়া প্রাপ্তির আবেদন করছেন এবং যে সকল মাসের জন্য বকেয়া পেতে চাচ্ছেন সে সকল মাসের একটি এমপিও বিল প্রস্তুত করে কমিটির সভাপতি এবং প্রধান শিক্ষক থেকে অনুমোদন করে নিতে হবে।
প্রতিষ্ঠান প্রধান এমপিও বকেয়া প্রাপ্তির জন্য ঐ শিক্ষকের নামে একটি এমপিও বিল তৈরি করবে যেখানে যে সকল মাসে শিক্ষক বেতন পায়নি সে সকল মাসের পরিপূর্ণ বেতনের হিসাব অন্তর্ভুক্ত থাকবে। সেই সাথে সংশ্লিষ্ট মাসগুলোতে শিক্ষক যে বেতন পায়নি সেটির প্রমাণ হিসেবে ব্যাংকে এমপিও জমা দেওয়া স্টেটমেন্টের একটি করে কপি স্ক্যান করে সংযুক্ত করতে হবে।

এখানে তিন ধরনের ফাইল এক সাথ করে পিডিএফ করতে হবে-
১. সংশ্লিষ্ট শিক্ষকের নামে প্রস্তুত করা বেতন বিলের কপি,
২. এরিয়ার এর জন্য আবেদনকৃত মাসের অথবা মাস সমূহের প্রতিষ্ঠানের বেতন বিলের কপি সমূহ যেখানে ঐ শিক্ষকের নাম থাকবে না বা এটা প্রমাণ করবে যে ঐ শিক্ষক ওই মাসগুলোতে কোন ধরনের বেতন উত্তোলন করেনি,
৩. ওই মাসগুলোর মাধ্যমিক উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর কর্তৃক প্রকাশিত বা প্রদত্ত এমপিও কপি;
বকেয়া এমপিও আবেদন পাওয়ার জন্য প্রতিষ্ঠান বরাবর বরাবর শিক্ষকের দাখিলকৃত আবেদনের প্রেক্ষিতে প্রতিষ্ঠান প্রধান ম্যানেজিং কমিটি অথবা গভর্নিং বডির সদস্যদের নিয়ে এমপিও বকেয়া বেতন ভাতা দিয়ে দেওয়া যায় কিনা এই মর্মে একটি সাধারণ সভা আয়োজন করবেন।
সবাই গৃহীত সিদ্ধান্ত সমূহ সবার অধিবেশন রেজিস্টারে সুন্দর করে লিপিবদ্ধ করে সেগুলো স্ক্যান করে আবেদনের সাথে সংযুক্ত করা লাগবে। বকেয়া বেতন ভাতা দি পাওয়ার আবেদনের ক্ষেত্রে খুব স্পষ্টভাবে কেন ঐ শিক্ষক বা কর্মচারী ঐ সকল মাসে এমপি ভুক্ত হতে পারে পারেনি তার কারণ উল্লেখ করতে হবে এবং এমপিও বকেয়া পাওয়ার জন্য সর্বসম্মতিক্রমে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে হবে।

ব্যাংক নন ড্রয়িং সনদ বলতে ব্যাংক ম্যানেজার কর্তৃক প্রদত্ত একটি প্রত্যয়ন পত্র যেখানে বকেয়া এমপিও বেতন ভাতা দিয়ে পাওয়ার আবেদনকারী শিক্ষকের ব্যাংক একাউন্টে ঐ সকল মাছ সমূহে কোন প্রকার লেনদেন হয়নি অথবা মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর কর্তৃক কোন প্রকার বেতন ভাতা দিয়ে জমা হয়নি দেয়া হয়।
যে ব্যাংকে আপনার প্রতিষ্ঠানের এমপিও বেতন ভাতা দিয়ে পোস্টিং হয় সেই ব্যাংক ম্যানেজার বরাবর আবেদন করে ওই মাসসমূহে আপনার একাউন্টে কোন প্রকার বেতন ভাতা দিয়ে জমা হয়নি এবং আপনি উত্তোলন করেননি এই মর্মে একটি প্রত্যয়ন পত্র গ্রহণ করবেন। এটি ব্যাংক নন রয়েল সনদ হিসেবে বিবেচিত হবে।
ব্যাংক নন ড্রয়াল সনদ এর সাথে অবশ্যই আপনার একাউন্টের সেইসব মাসের স্টেটমেন্ট সংগ্রহ করতে হবে এবং এর সাথে সংযুক্ত করে আপলোড করা লাগবে।

বকেয়া এমপিও আবেদন যথার্থতা প্রমাণের স্বার্থে প্রয়োজনীয় অন্যান্য ডকুমেন্টগুলো এখানে আপলোড করতে হবে। মাধ্যমিক ও শিক্ষা অধিদপ্তর, শিক্ষা মন্ত্রণালয় এর মাধ্যমিক উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর সহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রকাশিত বিভিন্ন সময়ের পরিপত্র এবং নীতিমালার অংশ এখানে আপলোড করা যেতে পারে।
সেই সাথে ওই শিক্ষকের এমপিও বেতন বিলম্বে পাওয়ার প্রয়োজনীয় কারণ, প্রতিষ্ঠান প্রদানের প্রতি শিক্ষকের বেতন পাওয়ার আবেদনের কপিও এখানে দেয়া যাবে।
যদি আপনি এনটিআরসিএ করতে সুপারিশ প্রাপ্ত শিক্ষক হন সে ক্ষেত্রে মাধ্যমিক উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান জনবল কাঠামো এবং এমপিও নীতিমালা ২০২১ এর বকেয়া বেতন প্রাপ্তির বিষয়ে কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্তের কপিটি সংযুক্ত করে দিলেন।
এই ছিল বকেয়া এমপিও আবেদন করতে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সংক্রান্ত আমাদের আজকের লেসন। পরবর্তী লেসনে আমরা দেখবো কিভাবে বকেয়া বেতন-ভাতাদি পাওয়ার আবেদন সাবমিট করতে হবে।
অবৈধভাবে সাময়িক বরখাস্তের জন্য মামলা জনিত কারণে প্রায় তের বছরের সরকারি বেতন ভাতা উত্তোলন সম্ভব হয় নাই। মহামান্য হাইকোর্টের রায়ের পর বিদ্যালয়ে ফিরে আসি এবং বেতন ভাতা উত্তোলন করি। বর্তমানে অবসরে চলে গেছি। এখন কিভাবে বকেয়া বেতন পেতে পারি দয়া করে বিস্তারিত জানাবেন।
স্যার, এই ধরণের কেস সমাধান করার জন্য সরাসরি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ (উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা, জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা, আঞ্চলিক কর্মকর্তা) এর সাথে যোগাযোগ করুন। উনারা সঠিক পরামর্শ প্রদান করবেন।