এইট টু সেন্টটা ঠিকই আছে, ওইটা তো আপনি আগেই বলছিলেন একচুয়ালি। রাইট পডকাস্টে যাত্রা শুরু হইতেছে আমাকে দিয়ে, আলহামদুলিল্লাহ। সে আমার এই ভাগ্য হইছে। ইয়েস ইয়েস ইয়েস ইয়েস!
আম্বিয়ালি হ্যাপি যে তুমি আসছো ক্যা জিওর, মাই ফার্স্ট গেস্টের। ওকে ফাস্ট গেস্ট। আমিতো ভাই, হচ্ছে যে মানে একটা কিরকম অদ্ভুত রকমের ফিলিংসের, নাফরের সাথে অ্যাক্সিডেন্টের মধ্যে আছি, মানে।
এখন এখন নাপিত সেলিম বাট হচ্ছে, এর আগে নাপিত ছিল হইছে হইছে। তো আলাদা ফিলিংস, আলাদা ফিলিংস। আমাদের এখানে আরেকটি ক্যামেরা দিতেছে। এই কে, এই পিছনে কে আসছে এটা? এই কে তুমি? এই ছেলেকে, এই ছেলেকে আমি বলছিলাম।
ভাই যে আমার সাথে একটা গোলাপ করতেছে, আমার সাথে কোলাব করে না, কী অবস্থা! ভাই, মানে পাত্তাই দিলো না। স্বামী আমাকে পাত্তাই দিলো না ভাই, স্বামী মদ খায় না। এই যে! ভাই, ওরে একটু— ওরে একটু বইলা দিয়েন ভাই, যে আমার মতো বাচ্চা-কাচ্চা মানুষদেরকে যাতে একটু না দেখে আনে।
তাইলে ভাই খুব ভালো লাগতো আরকি। তুমি কি ব্যাপার, তুমি কোলাব করতেছো না নাকি? তুমি নাকি ভয় পাইয়া গেছো? নিতে পারবে না? না, ভাগতে এখান থেকে! বসে বসে বাদাম ভাজা খাইতেছে— এই রাত্রিবেলা বাদাম ভাজা!
ওয়ালাইকুম আসসালাম, কী অবস্থা সামি, হেহে। ওকে, স্বপ্ন, আমি বলতে চাই যে কে আজকে যেহেতু এনায়েত আমার ফার্স্ট গেস্ট, এ জন্য আমি এনায়েতকে সম্মান করে রাখি, আমি মাইক স্ট্যান্ড কিনিনি। আমরা এভাবে মাইক হাতে ধরে রাখার সংস্কৃতি বিশ্বে ছড়িয়ে দিতে চাই— বাংলাদেশসহ বিশ্বে একটা ছড়াবে।
একদিন আমরা পিউরিফাই কাউকে দেখব, যাতে মাইক হাতে নিয়ে কথা বলতেছে। ওইদিন আমাদের লক্ষ্য সফল হবে আরকি। শুরু করছিল, এটা এনে ছুরি করছিল আজকে, বিশ্বব্যাপী ছড়ায় গেছে, রাইট ভাই। অনেকে ভুল বুঝে, আমি কিন্তু মাইক স্ট্যান্ড দিয়াই আগে করতাম, সত্যি কথা।
এরপর হঠাৎ করে বৃষ্টি পড়তেছে। আচ্ছা, ওয়াও, এখানে আমরা একটু বসি, এখানে আমরা একটু প্লিজ বলি। এই স্পিড স্টোরিটা আমি এর আগে কখনও বলি নাই, কোনো জায়গায় ও, তাই। নাকি ডাইনিংয়ের বটগাছটাও বলি নাই— এটাই!
তো যারা আমার ভিডিও আসলে আগে থেকে দেখে, আমি তো একদম শুরুতে এই মানে কন্টেন্টসের মাইকটা ইউজ করতাম না। আগে নরমাল হেডফোন টাইপের একটা পাইলট টাইপের মাইক ছিল, একটা মাইক্রোফোন ছিল, ওইটা দিয়ে কথা বলতাম।
তখনও এত সিরিয়াসলি শুরু করবে এরকম না। বাট তারপর আমি বুঝলাম যে অডিও খুব ইম্পরট্যান্ট একটা জিনিস। সেটা ইয়ে করতাম— কিনলাম। ঐ সময় আমি সাথে সাথে মাইক স্ট্যান্ড, সাথে সাথে কিনছিলাম।
মাইকের দাম খুব বেশি কিছু না, মাইকের দাম এর— কী বলবো মানে, আজ ৬ ভাগের ১% ভাগ হবে এরকম। আর একসাথে কিনে আনছিলাম— একসাথে কিনে আনছিলাম মাইক স্ট্যান্ড, মাইক, সবকিছু একসাথে। একটা টেক শপ থেকে কিনে বাসায় নিয়ে আসছি।
তারপর প্রথম প্রথম মাইক লাগানো কিন্তু একটা প্যারার জিনিস ভাই। আপনি যারা মাইক লাগায়, তারা মানে মাইক স্ট্যান্ডটা লাগানো টেবিলের সাথে— আমার অনেক এনার্জি খরচ হয়, মাইরি। স্ট্যান্ডার্ড যারা ইউজ করে, বেশিরভাগ সময় ওরা অলরেডি লাগায় রাখে টেবিলের মধ্যে।
সো ওই যে লাগায়ে রাখা আগের থেকে, তারা তো আর খুলে না। আমার বারবার খুলতে হইতেছে কারণ হচ্ছে, আমি প্রথম প্রথম অফিসে রেকর্ড করতাম।
তো অফিসে রেকর্ড করার একটা অসুবিধা হইতেছে। অফিসে তো সব ওইটা তো লাগায় রাখা যাবে না। আমার অফিসের মধ্যে তো স্পেশালি, আমার ল্যাপটপ ছিলো এই জায়গার মধ্যে। অনেক মজা, মানুষ যা আশা করার ওই সময়, বুয়েটের মতো জায়গার ভিতরে আমি একটু স্টুডিওতে রেকর্ড করতেছি।
ও ঝামেলা আছে, বিশাল ঝামেলা-টামেলা আছে। ওইটা খুইলা আবার নিও, একটা প্রত্যেকদিন লাগাও, প্রতিদিন খুলবো। মাঝে মাঝে আমি ওই সময়ে না লাগাই করতাম। বাসার মধ্যে যখন আসছি, বাসার মধ্যে হচ্ছে—আমার সমস্যা ছিল প্রথম প্রথম।
আব্বু আমাকে এলাও করতো না, আব্বুকে না জানিয়ে সবকিছু করছি। প্রায় সিক্সটি কে, না কত কে—এরকম একটা হিসাব আছে, ভুলে গেছি। অত সাবস্ক্রাইব হইসে, পরে জানাইসি। ওই সময়টায় ইউজ করা যাইতো। ওয়েট ওয়েট ওয়েট—তোমার কি ব্যালেন্সটা জানতো না?
না না, জানতো না। প্যান্ডেল না, আব্বু জানতো না। শুধু তোমার আব্বু জানতো না? শুধু আব্বু জানতো না? না না, না। সিরিয়াসলি, মানে শুধু বাসার অন্য সবাই জানতো, আব্বুর যন্ত্রণা আরকি।
তো আচ্ছা, ইন্টারেস্টিং, তা এইটা স্বাভাবিক। কারণ হচ্ছে আপনি যদি কন্টেন্ট ক্রিয়েশন শুরু করেন… আপনি ভাই অনেক অভিজ্ঞ মানুষ, আমি নতুন নতুন শুরু করছি ২০২০-এ। তো আমি শিওর ছিলাম, আমার নাম পদ্মার তোল, পদ্মা সেতু, পদ্মার এই প্ল্যাটফর্মে এস—ওরে বাপরে, হোমওয়ার্ক শেষ!
যেটাই বলতেসিলাম, যেহেতু জানতো না, সো দেখা যাইতো—আব্বু মাঝে মাঝে যখন এশারের নামাজ পড়তে যেতেন, ওর ফাঁকে আমি একটু ইয়া বাইর করে… আমি তখন মসজিদে যাইতাম না, বাসার মধ্যে নামাজটা পড়ে ফেলতাম। ওই সময় এক্স্যাক্টলি আমি ২০ থেকে ৩০ মিনিট পাইতাম।
ওই ৩০ মিনিটেই আমাকে একটা ভিডিও রেকর্ড করতে হতো, যাতে আসার আগেই আমি ওটা রেকর্ড করতে পারি। ইয়েস! এবং এর মধ্যে যদি একটু রেকর্ড করতে হয়, আমি যদি মাইক স্ট্যান্ড লাগাইতে চাই, আমার কমপক্ষে ওখানে ৫ মিনিটের পিস লাগবে।
সো এরপর থেকে ডিসিশন নিছি—এই মাইক স্ট্যান্ড লাগানো যাবে না, হাতে নিয়ে করতে হবে, যেভাবে পারা যাক। তো ওই সময়ের মধ্যে আমার ২০ থেকে ৩০ মিনিট আমি রেকর্ডিংয়ে রাখতাম। কিন্তু টোটাল ভিডিও হইতো ১৫ মিনিট পাই এরকম টাইপের।
তো আপনি যদি ২০ থেকে ৩০ মিনিট রেকর্ড করেন আর ১৫ মিনিট হয় মেইন রেকর্ডিং, তাহলে বুঝতে পারেন যে খুবই তা রাসের মধ্যে থাকতে হবে—যে খুব তাড়াতাড়ি করতে হবে, খুব তাড়াতাড়ি করতে হবে। মানে যেকোনো সময় আইসা পড়তে পারে, তাই না?
দরজায় দরজায় নক হইতেছে, নিচে আওয়াজ আসলে… আবার এর মধ্যে, এর মাঝখানে ঝামেলা হইতেছে—কারেন্ট চলে যেতে পারে, আবার অন্য কেউ আসতে পারে, মেহমান আসতে পারে। সো অনেকগুলা ব্যাপার-স্যাপার এরকম মাথায় রাখতে হইছে।
তারপর হচ্ছে আবার এমনও সময় গেছে যে সকালবেলা ঘুম থেকে উঠছি, ঘুম থেকে উঠার পরে দেখি—বাইরে এমন আবহাওয়া ঠিক আছে। প্রথম কথা, আমার ভিডিও শুট করার সময় অনেকগুলো কন্ডিশন মিট করতে হইতো।
প্রথম কথা, আব্বু বাসায় থাকতে হবে। দ্বিতীয় কথা, কারেন্ট থাকতে হবে—কারণ নাইলে লাইট থাকবে না। কারেন্ট চলে গেলে খুব একদম ছেঁড়াবেঁড়া অবস্থা। তারপর, কম্পিউটার ঠিকঠাক থাকতে হবে, কারণ কম্পিউটারে রেকর্ড করতে হবে।
তারপর চতুর্থ কথা হচ্ছে, ওই সময় বউ আসা যাবে না। কারণ সকালবেলা যদি রেকর্ড করি, ওই সময় যদি বউ আসে—ঘর মোছা শুরু করবে। আমার ভিডিও রেকর্ড আর হবে না।
এই সবকিছু মেইন পয়েন্টে একটা সুইটেবল টাইম দরকার। এখন খুবই স্মুথ। একদম এখন সবাই সব কিছু জানে। এখন খুব বেশি আগে যেরকম কষ্ট হতো, এখন… আরো বেশি কষ্ট হতো তোমার!
প্যারেন্টসটা যখন জানতে পারছে বা যখন মানে, তারা কিভাবে ওটাকে গ্রহণ করছে বা এইটার একটা গল্প আছে। এইটার গল্পটা হচ্ছে, আমার মানে, ইয়েটা জানছে কিভাবে এইটার একটা গল্প আছে—জানছে খুব বাজেভাবে।
একদিন আব্বু হচ্ছে ব্যাংক একাউন্ট চেক করছে। বুঝছেন মানে, ব্যাংক একাউন্টের মধ্যে দেখতেছে না যে ব্যালেন্স কী রকম আছে। হঠাৎ করে দেখি ভাই, ব্যালেন্স এত বেশি কেন? তুই তো বেতন পাস, এটা তো এত বেশি কথা না। আমি মানে, আগে কী করতাম যে আমার ইউটিউবের ব্যালেন্সটা বাদ দিয়ে হচ্ছে বাকি ইয়াটা করতে পারেন।
যেহেতু ইউটিউবে আমি বেশি খরচ করি না—কারণ, কই খরচ করি? আমার খরচ করা আসলে খুব বেশি না। মানে, খরচ করতে ওই স্কোপও নেই, করিও না। সো, ঐটা জমা হইতো। তখন দেখেন, মানে আস্তে আস্তে যখন টাকা জমা হইতে থাকে, তখন একটা সময় একটা বিশাল অঙ্ক হইয়া যায়। তখন দেখলে বুঝা যায়, যে এটার মধ্যে একটু ঝামেলা আছে, এটা কোনদিকে আসছে।
আচ্ছা আচ্ছা, তো তারপর হঠাৎ করে যাই না, গেছে তো জানছে কিভাবে? চেক করতেছিল চেক করতেছিল তো। তারপর একদিন এরকমভাবে দেখলো দেখলো। আবার ইয়ার্কি, আমি আবার ফুল ব্যালান্সটা বলতাম না কখনো। আমি হচ্ছি, বলতাম শুধু আমি বইয়ের থেকে যে টাকাটা পাইতেসি, ওই টাকাটা ইয়েস বলতে—আমার মেইন বেতন, প্লাস কনসালটেন্সি এনাউন্স মিলায়—ওইটা বলতাম।
হঠাৎ করে দেখা যায়, “না, এটা তো পিয়া না! তুই আমার সাথে মিথ্যা কথা বললি?” আমার উপর হচ্ছে যে মিথ্যা কথা সহ্যই করতে হবে না, মানে একদমই না! “মিথ্যা কথা বলছো!” তখন আরকি বাধ্য হয়ে বলতে হইছে, যে “না, এরকম এরকম করে ইয়ে করা যায়।”
সো, এখন জিনিসটা হচ্ছে কি, আপনি যদি কোনো একটা জায়গায় সময় দেন, ওখান থেকে যদি একটা ভালো এমন একটা মা (আয়) নিয়ে আসে, তাহলে কেউই না করবে না। আমার প্ল্যান ছিল যে যেদিন আমি ইউটিউব-ফেসবুক মিলিয়ে অ্যাটলিস্ট এক লাখ টাকার মতন ইনকাম হবে, ওইদিন বলবো। তখনও হয় নাই মান্থলিটা (মাসিকভাবে)। তার আগেই আসলে সবকিছু ফাঁস হইয়া গেছে।
আমার সমস্যা নাই, আমি রিচ করতে পারছি। আমার এখন অনেক বেশি আসে ভাইগানে (ভাইদের মধ্যে) যেটার বিয়ে আছে তার থেকেও বেশি। আলহামদুলিল্লাহ ভালোই আসে। আমি তো আপনাকে ভাই, সবাইকে স্টার্ট সহ সব দিয়ে দিচ্ছি। এটার ব্যাপারে ঝামেলা কি?
এইটা মটোলে (মোটাদাগে) বলা যাবে না। এটা আবার হচ্ছে খালিদ ফেরান ভাই, অন্যরকম খালিদনান ভাই মানে বলেন যে, “আপনি যা ইনকাম করতেছেন, সবকিছু আসলে দেখানো উচিত, নইলে মানুষ ইয়াটা ঠিক একটা পারসেপশন পায় না।” আবার ও দেখাইলো, সমস্যা হচ্ছে না—উচিত।
উনি বলেন “উচিত, উচিত।” আচ্ছা, কারণ হচ্ছে অনেস্ট থাকা—অডিয়েন্সের সাথে, সবার সাথে অনেস্ট থাকা। আবার আমার ক্ষেত্রে হচ্ছে, ছবি যদি দেখা দেয়, তাইলে আবার মানুষ শেয়ার করবে যে, “আপনি এত কই থেকে পান, কী পান?” মানে, ঝামেলা করা শুরু করবে, ওকে?
হ্যাঁ, হ্যাঁ হ্যাঁ, কেন এইরকম হই? না, এহন আলহামদুলিল্লাহ ভালো আছে। হ্যাঁ, ভালো আছে আলহামদুলিল্লাহ। বাট হচ্ছে, একদমই কিছু একটা মুহূর্ত বলবো না। আমি ০১:১২ একটা স্ক্রিনশট শেয়ার করছিলাম, আমার যখন সোলাইমান সুফল ভাইয়ের একটা ইয়া ছিল—ইউটিউব-ফেইসবুক থেকে খুব বেশি টাকা পয়সা পাওয়া যায় না, ওই সময় আমি শেয়ার করছি।
বা, সবার কণ্ঠে পেশেন্ট আসা উচিত হয়েছে—স্টুডেন্ট। আমি ওনার কথার সাথে আসলে একমত করছিলাম, একটা আলাদা পোস্টে দিয়েছিলাম আমি। পরের সময় শেয়ার করছিলাম স্ক্রিনশট কিছু—আমারই ইনকাম এখন পর্যন্ত কতটুকু হইসে। ওই সময় অত কত—এখন যেরকম অত বেশি ছিল না।
বাট এখন আলহামদুলিল্লাহ অনেক বেশি আসতেছে। আলহামদুলিল্লাহ। আমি আসলে এক্সপেক্ট করিনাই আসলে এরকম এত তাড়াতাড়ি হওয়ার জন্য। একচুয়ালি, এটা কি বলা যায় যে একটা
যে ফ্রেশ গ্র্যাজুয়েট যত স্যালারি পায় তার থেকে বেশি, এটাকে বলাতে বলা যেতে পারে। ভাই, অনেক বেশি অবশ্যই। জানেন, ক্রুশিয়ালি কোন প্রফেশনে সেটাও ম্যাটার করে। ইভেন, ইভেন আপনি যদি কর্পোরেট জব হিসাব করেন, সেই তার থেকেও অনেক বেশি, আলহামদুলিল্লাহ।
না, এটা আসলে আমার কাছে জিনিসটা খুবই ভালো লাগতেছে। এবং সত্যি কথা বলতে, হিউম্যান অফিং স্পাইড মেয়ে, মানে সেকেন্ড টাইম এখানে আসার জন্য সত্যি কথা বলতে হা হা। আসলে ইউ ইউট ইউ ইউটউন রহমান চুয়াবিন স্পাইডার ভাই, আমরা অনের যে আপনি আসছেন—এটা আমি একটা এনালাইসিস দিবো, যে আপনার আসলে আশাটা কেনো দরকার ছিলো এখানে।
আর আশা করি, আপনাদের মতো মানুষদের আশাটা কেনো দরকার। আসলে সত্যি কথা, ঐদিন আমি রাফায়েত থেকে অনেক প্রশংসা করছিলাম। মানুষজন ভাবছে আমি তেল দিছি, বাট এটা একটা এনালিটিক্যাল। না না, না না না। আই ফেয়ার অ্যান্ড আই ফেয়ার দেখ, আই ফেয়ার দেখ। আমি কি রাইট? রাইট, আমি ওটা দেখতে পাই। আমি তো ভিতর থেকে বলছি ভাই, একদম ভিতর থেকে বলছি। আই আমি বুঝতে পারছি সেই জিনিসটা, মানে আই রিয়াল ইনজয়। দেখ, ফটকেস্ট।
তবে একটা জিনিস, সেদিন তুমি বলতেছিলা না যে, কি? যে আই ওস্তাওয়ান, যেখানে রাফায়েত ভাইকে বলতো যে ভাই, আমি এটাকে ফুড টাইম ইউটিউব হিসেবে। বিকজ আমার, আমার আমি ধরো, চামিউয়াছতে ছিলাম, বুঝছো? পোতাজান ফোর্টিনে আমি শুরু করি ফার্স্টে। তো আমি তখন জানতাম না, মানে ইউএস-বাংলাদেশের ইউটিউব স্পেসের ব্যাপারে আমার কোনো ধারণাই ছিল না।
আমি তখন ওই দেশের ফলো করতাম—আ ফোজিটিউব, তারপর হচ্ছে সুপারম্যান, বিউটিপাই তাও আছে, নিগাহিগা, তারপরে এরকম অনেক আছে। আমি এলেভেন-টুয়েলভ থেকে ইউটিউব দেখা শুরু করি, মানে আমি যখন ইউএসএতে ফার্স্ট গেছি পড়াশোনার জন্য। তো তখন আমার কাছে ইন্টারটেইনমেন্টের জন্য কিছু নাই, তো ইউটিউবটাই ছিল একটা।
একটা মানে কি বলবো? যে গেট হয়ে আই গেস, নাকি? যে এটা একটা আমাদের রিকুয়েস্টেশন ছিল। যখন আমি দেখতাম, তখন মনে হতো, আচ্ছা বাংলাদেশে নাই কেন এরকম? তো টুথা হচ্ছে, এলেভেন-টুয়েলভে তুমি চিনো কিনা—যেরকম ফার্স্টের দিকে যেমন নিউএকটিভ বেস্ট কিছু ইউটিউবার ছিল, জালাল এমএসিং, আবরার ভাই—এরা তখন ফার্স্টের দিকে একদম মানে এলেভেন-টুয়েলভে তখন শুরু করে দেয়।
আমি তখন ভাই নকিয়ার একটা সেট চালাইতাম, কোনমতে ফেসবুক চালানো যাইতো। ওইটার মধ্যে ইউটিউব দেখা—ওই সময় তো ব্রডব্যান্ডও ছিল না। ইভেন ভাই, ভিডিও দেখব যে, আমি ও মা। ওই সময় আমার মনে আছে, যে কি? আমি তো আলহামদুলিল্লাহ ইউএসএতে গেছি। আমরা মডেলিং করেছি, আমরা মডেলিং, মডেল। আমরা মডেল চলতো টুথপেস্টে, এলেভেনে তো মডেলিং চলছে।
আমি এলেভেনে চলে গেছি, তারপর জানিনা পরে। ওই ওয়াইফাইটা পরের দিকে আসছে, আর ওখানে তো ওয়াইফাই তো অলরেডি ছিল। সো, ওইখানে তো টেনশন নাই। আমার মনে হচ্ছে, আমি এমন করতাম যে, আমার ফ্রেন্ড—ফ্রেন্ডের বাবা ইউনিভার্সিটির প্রফেসর, তো উনার এক্সেস ছিল একটা ল্যাবের, যেখানে হইতেছে আমরা অনেক হাইস্পিড ইন্টারনেট দিতো।
তো আমার মনে হচ্ছে, আমি তখন আমার ও লেভেলের সময়, আমরা যেতাম, যে হইতেছে সব লিস্ট করে রাখতাম—যে এগুলা, এগুলা ডাউনলোড করবো, এগুলা, এগুলা ডাউনলোড করবো। সেই পুরা আমার মত অবস্থা ভাই। এগুলা দেখলে এই সময় ভিডিও রেকর্ড করবেন। আসলেই সীমাবদ্ধতার মধ্যে পড়লে মানুষ অনেক প্রোডাক্টিভ হয়ে যায় ভাই, আল্লাহু আকবর।
ভাই, আচ্ছা, এই জিনিসটা না—তো যেটা বলছিলাম যে, যখন ফোর্টিনে দিকে শুরু করি, তো আমার মনে আছে, ফোর্টিনে যখন শুরু করি, তখন সালমান মুক্তাদির ভাই, ব্রাদারস—মানে ওরা মেইনলি ওখানে তখন শুরু করে এবং তারা খুব ভালো একটা… আমি কিন্তু ইউটিউব ভিডিও বানাইতাম না।
আমি একচুয়ালি বানাইতাম ভাইনে, বাহিন দিয়ে ফাইনে বানাইতাম। আমি ভাইন্স, ফাইন মোটর রাইট, বিকজ ইউটিউবে ভিডিও বানানোর সাহস আমার ছিল না ঐসময়। ভাই ফাইন কি আলাদা কোন অ্যাপ? নাইস, কোন একটা প্ল্যাটফর্ম ইউটিউবের মতন?
আচ্ছা, ফাইন হইতেছে না না, এখন যেরকম দেখতেছি না টিকটক হয়ে গেছে, ওখান থেকে আসছে না? হ্যাঁ হ্যাঁ, আচ্ছা ছোট ছোট ভিডিও—এই সেন্স থেকে ঐ ভাইন্সটা আসছে। অনেকের ভাইন্সে প্রবলেম ছিল, অনেক ভাইন্স থেকে পরে এখন যেরকম…
অনেক ইউটিউবার আছে, ফর এক্সাম্পল কোটিকো—সে ভাইন থেকে আসছে। তারপর ডেভিড ডোব্রেক, আ… লাইভ দিছে। ওহ, আচ্ছা, ওর যেগুলো গ্যাং, ওই সবগুলা কিন্তু ভাইন্স থেকে আসা, মেক অনেকগুলা আরকি। ওরা তো ভাইন্স থেকে আসছে, এইটা জানতাম না।
আমি তো ফাইনের তেমন রাখি না, স্যার। ছোট আজাদ—ওরাও তো বাহির থেকে, আর কে আসে! তো আমার কাছে কেনো কেনো, বাইরে বাইরে বানাইলে কেউ জানতো না কারণ ফাইন ব্যাপারে কেউ জানতো না ওইভাবে।
তো আমি শেয়ার করতাম না কখনো কোনো ভিডিও যে আমি ফাইনে দিতেছি। তো ওকে, ফাইনে দিতাম আরকি। আমি আমার ভিউ হইতো এখানে, ভিউ হইতো ঐখানে। আপনি কেন ভিউস হইতো, মানে ওই তো শুরু করছিলাম আরকি। হয়তো বা একটা ভিডিও দিলে ৩০০ ভিউস হতো, ২০০ ভিউস হতো, তাতেই খুশি হয়ে যেতাম।
আচ্ছা, আচ্ছা, তাতেই খুশি ছিলেন, হাতেই খুশি। মনিটাইজেশন ছিল? আরে ধুর মিয়া, মনিটাইজেশনের কথা পরে আসতেছে। ইউটিউবে মনিটাইজেশন করতে কত সময় লাগছে! ওহ এক্স্যাক্টলি, এক্সকিউজ মি, ওহ মাই গড!
মানে এত চেঞ্জ হইছে, মানে আসলে… মানে চেঞ্জেসগুলো দেখতে আমার কাছে ওয়ার্ল্ডক্লাস লাগতেছে যে কি ওয়াও! তুমি যেন এখন বলতেছো যে, আলহামদুলিল্লাহ! আলহামদুলিল্লাহ, আমি সো… সো গ্ল্যাড যে ইউএস আর্মি কিং ইউ আর মেকিং গুড মর্নিং!
রাফায়েত ভাই, এগুলা বিষয়ে আগে আমরা ডিসকাস করতাম যে, আল্লাহ এরকম কি কখনো হবে? যেমন আমরা দেখতাম বাহিরের দেশের ইউটিউবাররা ফুলটা আমি ইউটিউবার হই, তো আমার চিন্তা—আল্লাহ!
আমাদের দেশে কেন সম্ভব না? বাংলাদেশে কেন সম্ভব না? ওদের রিসেন্ট বাংলাদেশে হইত না? খালিদ ফারহানের একটা ভিডিও আমার খুব ভালো লাগসে, যে বলতেসিল যে ও মনে হয় ১৫,০০০০০ ভিউজ বা এরকম মান্থলি পায়।
তো বলছিলো যে আমি প্রায় ২০০০ ডলার এরকম একটা… আমরা একটা কথা বলি, সুটা হাজার ডলার প্রাইজ! কি বলছে! কিন্তু ৫ বছর যদি এভাবে ভিউস আসে, এই ১.৫ মিলিয়ন মিলিয়নে…
কিন্তু আমার ২০০০ হবে না। ওক্ষেত্রে আরো ৩০০০, ৪০০০, ৫০০০ আরও বেশি হবে। কমপ্লিমেন্ট কম্বিনেশন, মানে নাম্বার অফ অ্যাডভার্টাইজার বাড়তেছে। যার কারণে রেটটা বাড়তেছে। ওই সময় কোন অ্যাডভার্টাইজের রেসিপি ছিল না, এরকম ছিল না ওই টাইমে।
দেখ, আমি যখন শুরু করছিলাম তখন আমার বোন একটা কথা বলছিল যে, তুই এটা কি করতেছিস? এটা তো কেও জানে না, কেও চিনে না। আমরা চিনতাম ভাই রাহুলকে, আমরা চিনতাম না।
তো ওই সময় আমি একটা কথা মনে আছে বলছিলাম যে, দেখো, আমার বোনকে বলছি, “দেখো, তুমি জাস্ট তিনটা বছর দাও বা চার বছর দাও। তুমি দেখবা যে এই মানুষজন সবাই ইউটিউব চিনবে।” এক জায়গায় হ্যান্ডসেকলি হোয়াট হ্যাপেন, আস্তে আস্তে ইউটিউব অনেক বেশি গ্রো করে। এখন আমার আম্মু দেখে, আমি, প্রিতিসর আঙ্কেল, আন্টিও হতে পারে ইউটিউব দেখে।
আমার আম্মু সারাদিনই ইউটিউব দেখছে। টিভি থেকে এখন দেখা যাচ্ছে ইউটিউব। দেখতেছে, রাইট? ইউটিউবে এই যে শিফটটা হইছে না, ড্যাচলাইট মানে, প্রেফার হোল মিঙ্গেল—একটা ড্রামাটিক একটা শিফট হইছে।
ওই জন্য আই ফিল আই, আমার ঐ… মানে কি বলবো তোমাদেরকে! দেখে, তোমাকে দেখে স্পেশালি। তারপর সারপ্রাইজ, তখন আমার কাছে একটা লিপল ফেক নিছি যে—আর প্রথম ভিডিওতেই একদম কোক কোপ, প্রথম ভিডিওতেই কোক মারছেন। আরে ভাই, ঐগুলা কিছুই না ভাই।
প্রথম ভিডিওতে আপনি যেই ভিউ পাইছেন, ভাল লাগছে ভাই, ভাল লাগছে। ভাই, ভাল লাগছে। ইউটিউবার না, সিরিয়াসলি। আর আলহামদুলিল্লাহ, ভালো আছি। তুমি ভালো আছো? ভাল আছো মানে? তুমি তুমি কি? হোয়াট? হোয়াইট ইউ? থ্যাংক ইউ। তোমার নেক্সটটা, তোমার কত তুমি হিট করতে পারো, এরকম কি তোমার একটা ইউটিউব ডেইলি থেকে পাওয়া টেবিল?
আমি সত্যি কথা বলতে কি ভাই, মানে আমি স্ট্যাটিস্টিক পছন্দ করি। সত্যি কথা, আমি… আপনি যদি এখন আমাকে করি, হ্যাঁ, স্ট্যাটিস্টিক পছন্দ করি বলতে এই সেন্সে না—যে ধরেন, আমার আজকের দুইশোকে সাবস্ক্রাইবার হয়ে যাবে। আমি হচ্ছে এইচএসসি পছন্দ করি, যে ট্রেন্ডটা কী দেখা যাইতেছে।
এই ট্রেন্ডের সাথে একটা কোয়েশ্চেন আছে, এইচএসসি। আধ ধরেন, আমি আপনার সোশ্যাল ব্লুডো চাইলে হচ্ছে যে, কো রিলেশন বাই করে বলে বইলাই দিতে পারবো—যে আপনার ভিউ এই সময় এতটুকু বাড়ছিল, এই সময় এতটুকু সাকসেসফুল হয়ে যাবে। মানে, স্টেটাস টিপস যেটা বলে আরকি। বাট আমার কখনো এইটা কখনো গোল থাকে না, যে আমার পরের বছর এত কে হিট করতে হবে।
তারপর বছর এত কে হিট করতে হবে। তাইলে আমি জীবনে… আমার সবসময় গোল থাকে—আমার প্রত্যেক বুধবার একটা ভিডিও আপলোড দিতে হবে, এন্ড ওই ভিডিওটা লাস্ট সপ্তাহের ভিডিও থেকে বেটার হইতে হবে।
এইটা হচ্ছে একটা মাত্র গোল আমার। ওই একটা গোল, যে ভাবে করেই হোক, আমি মিট করবো। যেভাবে করেই হোক, ইনশাআল্লাহ মিট করবো। সো, ওইখান থেকে আপনি যে গ্রোথের ব্যাপারটা বলতেছিলেন, রিসেন্টলি, হ্যাঁ, সত্যি কথা বলতে… আমি যেহেতু দেখতেছি, এটা এমন না যে কোনো ইউটিউবার নাই—যে তার ইউটিউব স্টুডিওতে ঢুইকা সাবস্ক্রাইব নাম্বারটা দেখেনা।
এরকম কোন ইউটিউবার পাওয়া যাবে না। আমি অ্যাটলিস্ট নিজের গ্যারান্টি দিতে পারি, আমি দেখি। অবশ্যই আমি না করব না, যদিও আমি প্রিন্সিপালি অনেকবার বলছি—সাবস্ক্রাইবার নাম্বার আসলে একটা ইউটিউব চ্যানেলকে জাজ করার জন্য বেস্ট ম্যাট্রিক না। তারপরেও, এটা একটা অবশ্যই প্যারামিটার যে চ্যানেলটার গ্রোথ কতটুকু হইতেছে। সো, আমি চিন্তা করি ওই সাবস্ক্রাইবাররা আসলে ভিউ কতটুকু করতেছে।
সো, ওই অনুযায়ী হচ্ছে যে, লাস্ট দশটা ভিডিওতে আপনার ভিউ কতো আসছে। এন্ড, ওই অনুযায়ী আপনার সাবস্ক্রাইবার কতোটুকু বাড়তেছে, সেটা আমি দেখতে বলি আরকি।
সো, ওইটা দেখলে আলহামদুলিল্লাহ, আলহামদুলিল্লাহ, ভালো আছে আমার। ইন মানে, এটার যতটুকু ভিউস হচ্ছে, সাবস্ক্রাইবারও ততবারই বাড়তেছে। সো, এরকম যদি হইতো কখনো যে আমার হঠাৎ করে হচ্ছে সাবস্ক্রাইবার পুরা একশোকে বাইরা গেছে, বাট হচ্ছে ভিউস আসতেছে না—সো, এইটার চেয়ে আমার বরঞ্চ, আমি প্রত্যেকদিন ওয়ান কে করে আমার সাবস্ক্রাইবার বারুক।
ওয়ান কে থেকে টুকে করে সাবস্ক্রাইবার বারুক, আমার সমস্যা নাই। এন্ড আমার ভিউসও যাতে এটলিস্ট ওয়ান কে থেকে টুকেই বারুক, আমার কোন সমস্যা নেই। আমার দুই বছর পরে আমার যদি আমার সিক্স এন্ড্রয়েডকে সাবস্ক্রাইবার হয়, আমার ভিউ যাতে সিক্স হান্ড্রেড কে সবগুলোতে হয় ভিডিও — এইটা আমার টার্গেট থাকবে, এন্ড এইটা মেইনটেইন করা খুবই টাফ যেটা ভালোভাবে মেইনটেইন করতেসে রিসেন্টলি। আর এনার রাকিব ভাই মানে আর রাকিব ভাইয়ের ক্ষেত্রে আমি দেখছি উনাদের এই ডেক্সটটা মানে হচ্ছে যে ইউস সাবস্ক্রাইবের এসিওটা খুবই ভালো, অন্তিকের ওই ভালো অন্তিকমান খুবই ভালো।
সো এটা মেইনটেইন করা খুবই টাফ। বাট এটা একটা সুস্থ ইউটিউব চ্যানেলের বৈশিষ্ট্য, আর বাকি যেই ইয়ে হয় এগুলা সব অসুস্থ হয়। হয় হচ্ছে ভিউ খুব বেশি, সাবস্ক্রাইবার খুব কম — এটা অসুস্থ। আবার সাবস্ক্রাইবার খুব বেশি, ভিউস খুব কম — এটা অসুস্থ একটা চ্যানেলের লক্ষণ।
সো দেখা যাক কি হয় সামনে, আমার টার্গেট হচ্ছে যেটা আমায় মানে রেস্টুরেন্টে লাইফ, প্রত্যেক বুধবার বিকেল পাঁচটায় একটা ভিডিও আপলোড দিবো ইনশাল্লাহ। জাস্ট ফ্রেন্ডরা আসলে, আমি যে কোশ্চেনটা করতে গেছিলাম, সে কোশ্চেনের অ্যানসার টা তুমি দিয়ে দিয়েছো।
তো আমি যে কোশ্চেনটা করতে গেছিলাম, বাপ যে তোমাকে ফ্লাক্সে বলতে গেছিলাম, আমি একচুয়ালি ঘাটাঘাটি করতে ছিলাম এমনি জাস্ট ফরফান, আমি দেখতেছিলাম যে ফিউচার প্রজেকশন দেখছিলাম ওখানে একটা ট্যাব আছে ফিউচার প্রজেকশন। তুমি ওয়ান ইয়ার বা টুইজার এর মধ্যে ইউএস ওয়ান মিলিয়ন সাবস্ক্রাইবার। ওরে বাপরে তাই নাকি।
